loader image
Skip to main content

Khabar Siliguri

রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে জল্পেশের (Jalpesh) শ্রাবণীমেলা। মেলাকে ঘিরে চরম ব্যস্ত জল্পেশ মন্দির ট্রাস্টি বোর্ড, মেলা কমিটি ও প্রশাসন। এদিকে তিস্তায় জল বাড়ার বিষয়টি ভাবাচ্ছে প্রশাসনকে। তিস্তাঘাটে জল সংগ্রহকে কেন্দ্র করে চরম সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। শনিবার পুলিশ, ব্লক প্রশাসন ও ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তিস্তাঘাট ও জল্পেশ মন্দির পরিদর্শন করেন। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কুমুদরঞ্জন রায় বলেন, ‘মেলাকে কেন্দ্র করে সবরকমের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তিস্তায় জলস্তর কিছুটা বেশি রয়েছে। নদীতে যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে, সে ব্যাপারে প্রশাসনের তরফে সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।’

পাহাড় ও সমতলে টানা বৃষ্টির জেরে তিস্তা নদীর দোমোহনি থেকে মেখলিগঞ্জ পর্যন্ত অংশে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে সেচ দপ্তর। ফলে শনিবার সকাল থেকে তিস্তা নদীর ঘাটে জল ছিল বেশি। রবিবার শ্রাবণীমেলা শুরুর পর বহু পুণ্যার্থী তিস্তাঘাটে নেমে স্নান করবেন, জল সংগ্রহ করে জল্পেশে পৌঁছাবেন। ফলে জল সংগ্রহের সময় যাতে দুর্ঘটনা না ঘটে, সে ব্যাপারে মজবুত ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে ঘাটে। অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এদিন ব্যারিকেডের মধ্যে জাল লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্নান করতে নেমে যাতে কেউ ভেসে না যায় সেজন্য এই ব্যবস্থা। এছাড়াও তিস্তাঘাটে সিভিল ডিফেন্স, ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট গ্রুপের সদস্যরা মোতায়েন থাকছেন। রাখা হয়েছে একাধিক সাধারণ নৌকা ও স্পিড বোট।

এদিকে তিস্তাঘাট থেকে জল্পেশ মন্দির পর্যন্ত রাস্তায় ৩০টি পুলিশ পোস্ট থাকছে। ইতিমধ্যে বাইরের জেলা থেকেও অতিরিক্ত বাহিনী নিয়ে আসা হয়েছে। শ্রাবণীমেলা চলাকালীন প্রতি রবিবার বিকেল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত এশিয়ান হাইওয়ে ও ইস্ট-ওয়েস্ট করিডরের চার লেনের রাস্তার কিছু অংশে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এছাড়াও গোটা রাস্তার যানজট রুখতে এ বছর পুণ্যার্থীদের যাতায়াতের জন্য নতুন রুট তৈরি করা হয়েছে।

পুণ্যার্থীরা তিস্তাঘাট থেকে জল নিয়ে এসে ময়নাগুড়ি ইন্দিরা মোড় দিয়ে প্রবেশ করে জল্পেশমেলার মাঠে গাড়ি পার্ক করবেন। জল ঢালা হয়ে যাওয়ার পর ওই পথ দিয়ে আর ফিরতে পারবেন না। বদলে এ বছর জল্পেশমেলার মাঠ থেকে গাড়ি নিয়ে হিমঘরের পাশ দিয়ে সরস্বতী ব্রিজ হয়ে এশিয়ান হাইওয়ে দিয়ে বের করা হবে সব গাড়ি। একইভাবে কোচবিহার, মাথাভাঙ্গা, চ্যাংরাবান্ধা, মেখলিগঞ্জের দিক থেকে আসা গাড়িগুলি এবার ময়নাগুড়ি রাজারহাট মোড় দিয়ে ঘুরিয়ে ময়নাগুড়ি রোড দিয়ে তিস্তাঘাটের দিকে পাঠানো হবে।

মন্দির ট্রাস্টি বোর্ডের সম্পাদক গিরীন্দ্রনাথ দেব বলেন, ‘মন্দিরে ১৫০ স্বেচ্ছাসেবক রাখা হবে। সিসিটিভি ক্যামেরা, পর্যাপ্ত আলো সহ সবরকমের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *