এক সময়ের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমাণ করলেন রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়। কিন্তু ব্যক্তিগত সম্পর্ক সবার উর্দ্ধে। সেই বোধ থেকেও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে গিয়ে পৌঁছালেন তৃণমূল বিধায়ক কুনাল ঘোষ। কুনাল ঘোষকে আলিমুদ্দিনে পাঠান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্দেশ্য তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেওয়ার ও শুভ কামনা জানানো। পারস্পরিক সৌজন্যের কথা তুলে ধরে কুণাল লেখেন, “নেত্রীর শুভেচ্ছাবার্তার বাহক হিসেবে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে গেছিলাম। মহম্মদ সেলিম, সুখেন্দু পানিগ্রাহীর সঙ্গে সৌজন্যমূলক কথা হল। বাবুদার সঙ্গে বহুদিন পর দেখা। একসময় পেশাগত কারণে কার্যত রোজ যাওয়া অফিসটিতে দীর্ঘকাল পর গেলাম। শুভেচ্ছাবার্তার জন্য মমতাদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নেতৃত্ব। এই পারস্পরিক সৌজন্য বেঁচে থাক।”
নতুন প্রজন্মের কাছে এই ধরনের নজির যত দেখা যাবে, ততোই রাজনীতি থেকে হিংসা দূরে সরে যাবে, প্রতিষ্ঠা হবে প্রকৃত গণতন্ত্র। সোশ্যাল মিডিয়ায় কুণাল ঘোষ লেখেন, “বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা বিমান বসু হৃদযন্ত্রে অপারেশনের পর আজ দিল্লি থেকে ফিরেছেন। সন্ধ্যায় তাঁকে আরোগ্যের শুভেচ্ছাবার্তা পাঠান তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিমানদার সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।” কেমন আছেন বিমান বসু, সেই বিষয়ে কুণাল লেখেন,”বিমানদা এখন ভালো আছেন। তবে সংক্রমণ এড়ানোর জন্য চিকিৎসকরা আপাতত কদিন আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।” অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হয়ে কলকাতায় ফিরেছেন বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা তথা বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু (Biman Bose)। তাঁর আরোগ্য কামনা করে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আর সেই বার্তার ‘বাহক’ হয়েছিলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। যুগ যুগ ধরে এমন সম্পর্ক জেন বেঁচে থাকে।