loader image
Skip to main content

Khabar Siliguri

দুয়ারে গনেশ পুজো। ধর্মপ্রাণ হিন্দুরা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন পনেস পুজোর প্রস্তুতিতে। উত্তর-পশ্চিম ভারতের মতো এখন বাংলাতেও যথেষ্ট উদ্দীপনার সঙ্গে গনেশ পুজো হয়। বিশ্বাস করা হয়, বাপ্পার কাছে হাত পাতলে খালি হাতে ফিরতে হয় না কাউকে। কিন্তু পুজো করার সময় তিনি ঠিক কীসে সবচেয়ে বেশি তুষ্ট হন? অনেকেই ভাবেন বিশাল কিছু আয়োজন করতে হবে। আসলে কিন্তু তা নয়, সাধারণ কিছু নিয়ম আর পছন্দের জিনিস দিলেই বাপ্পার আশীর্বাদ মেলে। গণেশ ঠাকুরের কথা উঠলেই যে খাবারের ছবিটা সবার আগে চোখে ভাসে, তা হল মোদক। শাস্ত্রমতে, পুজোয় ২১টি মোদকের ভোগ দিলে গণপতি দারুণ খুশি হন। তবে মোদক বানাতে না পারলে বা না পেলেও চিন্তা নেই। বেসনের লাড্ডু, মতিচুর বা সাধারণ বোঁদের লাড্ডুও তাঁর ভীষণ প্রিয়। এর সঙ্গে দিতে পারেন কলা, নারকেল আর গুড়।

শাস্ত্র ঘাঁটলে দেখা যায়, গণপতি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন লাল রঙের ফুল। তাই পুজোয় লাল জবা রাখা একপ্রকার মাস্ট। বলা হয়, জবা ফুল দিলে জীবনের বহু দিনের আটকে থাকা কাজও নাকি সহজে মিটে যায়। তবে যদি জবা না পান, মন খারাপ করবেন না। লাল গোলাপ, গাঁদা, চামেলি কিংবা পারিজাত দিলেও তিনি খুশি মনে গ্রহণ করেন। তবে ফুলের সঙ্গে আরেকটি জিনিস ছাড়া গণপতির পুজো একেবারেই অসম্পূর্ণ। সেটা হল দূর্বা ঘাস। পুজোয় ঠিক ২১টি টাটকা দূর্বা একসঙ্গে বেঁধে অর্পণ করার নিয়ম রয়েছে। শুধু মনে রাখবেন, ঘাস যেন ধুলোবালি মুক্ত আর একদম পরিষ্কার জলে ধোয়া থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *